হবিগঞ্জ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৬ জুন ২০২৩ ১৬:৪২ পিএম
আপডেট : ১৬ জুন ২০২৩ ১৯:৫০ পিএম
‘বড় কালো মানিক’। প্রবা ফটো
হবিগঞ্জে আসন্ন কোরবানির ঈদে বিক্রির জন্য ২৯ মণ ওজনের একটি ষাঁড় পালন করা হচ্ছে। ষাঁড়টির নাম রাখা হয়েছে ‘বড় কালো মানিক’। কারণ ওই ফার্মে ‘ছোট কালো মানিক’ নামে আরও একটি ষাঁড় রয়েছে। জেলার শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নসরতপুর গ্রামে পরিবারের সবার স্নেহ মমতায় গরুটি প্রস্তুত করা হচ্ছে।
ষাঁড়টির মালিক আব্দুর রহমান কালা মিয়া দেড় মাস আগে মারা গেছেন। ষাঁড়টির বয়স চার বছর। আব্দুর রহমানের খামারে ফ্রিজিয়ান জাতের একটি গাভী ষাঁড়টিকে জন্ম দেয়।
আব্দুর রহমানের পুত্রবধূ পারুল বেগম বলেন, তার শ্বশুরের মৃত্যুর পর তিনি খামারটির দায়িত্ব নেন। খামারে কাজ করছে চারজন শ্রমিক। কালো মানিকের শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য দিনে ৩ থেকে ৪ বার গোসল করানো হচ্ছে। প্রতিদিন ১৫০০ টাকার খাদ্য খাওয়ানো হচ্ছে কালো মানিককে। অনেক ক্রেতাও আসছে, দামদরও হচ্ছে। ষাঁড়ের দাম ১৫ লাখ টাকা হলে বিক্রি করা হবে।
তিনি বলেন, কয়েক মাস আগে শায়েস্তাগঞ্জে একটি পশু মেলা হয়। ওই মেলায় বড় কালো মানিককে নেওয়া সম্ভব হয়নি। যার কারণে বড় কালো মানিকের সন্ধান প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা জানেননি। খামারে ৪৫টি ছোট বড় ও মাঝারি ধরনের পশু রয়েছে। এর মধ্যে দুধের গাভী ২৮টি, ষাঁড় দুটি ও মাঝারি ধরনের বাছুর রয়েছে ১৫টি।
এখন পর্যন্ত উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থেকে তার খামারে কোনো প্রকার সহযোগিতা বা পরামর্শ পাননি বলে পারুল বেগম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
জাহাঙ্গীর আলম জানান, বড় কালো মানিক শায়েস্তাগঞ্জে সবচেয়ে বড় গরু হবে। প্রতিদিন বিশাল আকৃতির বড় কালো মানিককে একনজর দেখার জন্য বিভিন্ন এলাকার লোকজন তার বাড়িতে এসে ভিড় করছে।